কী বোর্ড শর্টকাটস
এখানে কীবোর্ডের শর্টকাট বলতে কিছু নতুন কমান্ডকেই দেখাব আমি। ট্রেডিশনাল শর্টকাটে না গিয়ে, শর্টকাটের ক্ষেত্র মাইক্রোসফটের এই এক্সেপশনাল শর্টকাটগুলো নিয়ে লিখব। আসুন টিউনার বন্ধুরা দেখে নেয়া যাক -
Alt + P
উইন্ডোজ এক্সপ্লোরারে একটি এডিশনাল ফাইল প্রিভিউকে এ্যাকটিভ করতে একটি কমান্ডটি ব্যবহার করা হয়। আগের উইন্ডোজের চাইতে এই ফাইল প্রিভিউ এর ফিচারটা অনেকটাই আকর্ষনীয়।
Windows + + ( প্লাস কী ) এবং Windows + - ( মাইনাস কী )
এটি ইউন্ডোজ সেভেনের ম্যাগনিফাইয়িং ফিচার। উইন্ডোজ কী চেপে ধরে প্লাস অথবা মাইনাস কী তে স্ট্রোক করে আপনি আপনার ডেস্কটপের যে কোন অংশ ম্যাগনিফাই করতে পারবেন। আপনি চাইলে আবার কী বোর্ড অথবা মাউস থেকে এই ম্যাগনিফাইয়িং ম্যাটারগুলোকে ডিফাইন করে দিতে পারবেন। একটা কথা মনে রাখবেন, এই ম্যাগনিফাইয়িং ইফেক্ট কাজ করাতে হলে আপনাকে এ্যারো ডেস্কটপ এনাবল করে রাখতে হবে।
Windows + Up এবং Windows + Down
যে কোন উইন্ডো সাইজকে মাক্সিমাম করতে উইন্ডোজ এবং আপ কী চেপে ধরলে তা ম্যাক্সিমাইজ হয়ে যাবে। আবার একই ভাবে উইন্ডোজ এবং ডাউন কী চাপলে উইন্ডোটি মিনিমাইজ হবে। তবে দুঃখের কথা পুনরায় উইন্ডোজ এবং আপ কী চাপরে তা ম্যাক্সিমাইজ হয়ে রিস্টোর হয় না ( মনে হয় বিল্লু মামা ভূলে গিয়েছিলেন )।
Windows + Left এবং Windows + Right
এইখানে উইন্ডোজ সেভেনের একটি চোখে পড়ার মত ফিচার আছে। এখানে মাউজ দিয়ে সিম্পলি বাম থেকে ডানে ড্র্যাগ করে উইন্ডো সাইজকে আপনার ডেস্কটপের অর্ধেকে নিয়ে আসতে পারবেন।
ঠিক যেমনটি ছবিতে দেখতে পারছেন । তবে উপরে উল্লেখ করা একই কাজ আপনি সম্পাদিত করতে পারবেন। একবার শর্টকাট থেকে উইন্ডো সাইজ হাফ করে ডান কর্নারে নিয়ে আসার পর আপনি চাইলে আবার একই কমান্ডের সাহায্যে ফ্লিপ করে উইন্ডো কে বা দিকেও নিয়ে আসতে পারবেন। এটা সাধারনত তাদের জন্যে একটি হটপট ফিচার হতে পারে যারা একটি ডেক্সটপকে মাল্টিপল মনিটরে এক্সটেন্ট করে থাকেন।
Windows + E
এই শর্টকাটটি এ্যাপ্লাই করা হলে আপনার লাইব্রেরি ফোল্ডারকে শো করার জন্যে অটোমেটিক্যালি একটি উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার অন হবে।
Windows + P
আপনার মাল্টিপল মিনটরকে আরো সহজে ম্যানেজ করার জন্যে এই শর্টকাটটি সংযুক্ত করা হয়েছে। শর্টকাটটি এ্যাপ্লাই করার পরেই আপনার ডেস্কটপে একটি ওভারলে এ্যাপিয়ার করবে যার মাধ্যমে আপনি আপনার সেকেন্ড ডিসপ্লে এবং প্রজেক্টর কে কন্ট্রোল করতে পারবেন। আবার আপনি চাইলে একটি সিঙ্গেল মনিটর থেকে ডুয়াল ডিসপ্লে এবং এক্সটেন্ডেড ডেস্কটপ মোডে সুইচ করতে পারেন।
Windows + Shift + Left/Windows + Shift + Right
আপনি যদি একাধীক ডিসপ্লে ব্যবহার করে থাকেন ( আজকাল অনেকেই করে ) তাহলে এই শর্টকাটের মাধ্যমে আপনি ইন্সট্যান্টলি এক স্ক্রীন থেকে আরেকটিতে ট্রান্সফার হতে পারবেন। সাধারণত মাল্টিপল ডকুমেন্টে কাজ করার সময় এটি ইফেক্টিভ একটি ফিচার।
Windows + T
এটার সাথে আমরা সবাই পরিচিত। উইন্ডোজের আগের ভার্সনগুলোর Alt + Tab এর কাজই করে থাকে এই শর্টকাট। অর্থাৎ ডাস্কবারের পিক মেন্যু।
Windows + Space
এটি উইন্ডোজ সেভেনেরই আরেকটি শর্টকাটের মতই। এই কম্বিনেশানে হিট করা মাত্রই আপনার ওপেন রাখা সমস্ত উইন্ডো ট্রান্সপারেন্ট হয়ে উঠবে। কিন্তু আপনাকে এই কম্বিনেশানে হিট করে ধরে রাখতে হবে। ছেড়ে দেয়ার সাথে সাথে এই ইফেক্ট ডিএ্যাকটিভ হয়ে পড়বে।
Ctrl + Shift + Click
কোন এ্যাপ্লিকেশানে এ্যাডমিনিস্ট্রাটিভ এ্যাকসেস পেতে চাইলে ঐ এ্যাপ্লিকেশান লঞ্চ করার সময় Ctrl + Shift চেপে এ্যাকটিভ করতে হবে।
ক্যালকুলেটর এবং ম্যাথ ট্রিকস
উইন্ডোজ সেভেনে শুধু ওয়ার্ডপ্যাড এবং ক্যালকুলেটরকেই আপগ্রেড করা হয়নি। এর ক্যালকুলেটর ফিচারটিকে আরো বুস্টআপ করা হয়েছে। চেঞ্জ করা হয়েছে এর চিরাচরিক এ্যাপ্লেট এবং সংযুক্ত করা হয়েচে আরো নতুন নতুন এ্যারিথমেটিক্যাল ফিচার।
ভিসতা তে ক্যালকুলেটরে শুধুমাত্র বেসিক এবং সায়েন্টিফিক মোডে সীমাবদ্ধ ছিল, আর উইন্ডোজ সেভেন আপনি বেসিক এবং সায়েন্টিফিক মোড ছাড়াও পাবেন প্রোগ্রামার এবং স্ট্যাটিসটিকস মোড। আরো আছে অটো মেটেড কনভার্সন টুল ( ইউনিট কনভার্সন - এ্যাঙ্গেল, তাপমাত্রা, গতি, বেগ, দূরত্ব)। আরো আছে মর্গেজ এস্টিমেশান সিস্টেম।
উন্নত ফন্ট ম্যানেজমেন্ট এবং নতুন ফন্ট
ইউন্ডোজের গত কয়েকটি ভার্সনে এই জায়গায় হাত না পড়লেও ইউন্ডোজ সেভেনে এতে আমুল পরিবর্তন আনা হয়েছে। সংযুক্ত করা হয়েছে কিছু নতুন ফন্ট। ফন্টের প্রিভিউ এবার এ্যাপ্লাই না করেও দেখা যাবে। সেক্ষেত্রে ভিসতার মত এক্সট্রা লার্জ আইকনে ক্লিক করা হলে সুন্দর প্রিভিউ দেখা যাবে। আর এই সেভেনে ফন্টের মেমরি কন্জাম্পশান রেটও অনেক কম।
প্রবলেম রেকর্ডার
বেটা রিলিজ করার অর্থই হল এতে কোন বাগ থাকলে যেন ইউজাররা ডেভলপারদের স্পেসিফিক্যালি জানাতে পারে। সেভেনের স্ট্রাটেজিও এর ব্যাতিক্রম নয়। এর জন্যে “প্রবলেম স্টেপস রেকর্ডার” নামে এর একটি বিল্টইন ডায়গনষ্টিক টুলও রয়েছে। এটি আপনার সমস্যা সংক্রান্ত স্ক্রীনশটস এবং মাউস কার্সারের এ্যাকশনকে এ্যানালাইজ করে প্রবলেমটিকে সঠিকভাবে উপস্থাপনে সহয়তা করবে। আপনি স্টার্ট মেনুর সার্চ ফিল্ডে psr.exe লিখে সরাসরি এই এ্যাকশনে নেমে যেতে পারেন।
বার্ন বেবি বার্ন
এর আগে সিডি ডিভিডি বার্নিং টুল নিয়ে টিউন করেছিলাম। উইন্ডোজ সেভেন চলে আসলে আমার সেই টিউনের আর কানাকড়ি দামও থাকবেনা। বার্নিং টুলে পিসিকে মাখামাখি করানোর দিন শেষ। কারণ সেভেন আছে বিল্টইন বার্ণার। যার সাহায্যে আপনি সিডি ডিভিডি এমনকি আইএসও ইমেজও বার্ন করতে পারবেন।
স্টার্ট মেনু এক্সিলারেট করা
ভিসতার তূলনায় স্টার্ট মেনু তেমন একটা চেজ্ঞ না হলেও চোখে পড়ার মত কিছু ইম্প্রুভমেন্ট ঠিকই হয়েছে। আরো অপশন আনা হয়ছে কাষ্টমাইজেশানের ক্ষেত্রে। (যেমনটি ছবিতে দেখতে পাই)
এস.কে.ইউ এ্যানাউন্সমেন্ট
প্রায় একমাস চলার পরে আজ ইউন্ডোজ সেভেনের এস,কে,ইউ ( স্টক কিপিং ইউনিট ) এ্যানাউন্স করেছে মাইক্রোসফট। এতে উল্লেখ করা হয়েছে যে আপাতত সেভেনের ছয়টি এডিশন রয়েছে -
১. ইউন্ডোজ সেভেন স্টার্টার
২. ইউন্ডোজ সেভেন হোম বেসিক
৩. ইউন্ডোজ সেভেন হোম প্রিমিয়াম
৪. ইউন্ডোজ সেভেন প্রফেশনাল
৫. ইউন্ডোজ সেভেন এন্টারপ্রাইজ
৬. ইউন্ডোজ সেভেন আলটিমেট
বর্তমানে মাইক্রোসফট ইউন্ডোজ সেভেনের প্রফেশনাল এবং প্রিমিয়ামের ডেভেলাপমেন্টের দিকে বেশি নজর দিচ্ছে।
এস.কে.ইউ ডিটেইলস
এই পর্বে আমি শুধুমাত্র ইউন্ডোজ সেভেনের লাউব্রেরী ফিচারটা কে নিয়ে ডিসকাস করব। এটি ইউন্ডোজ সেভেনের ফেমাস ফিচারগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি। কেন এই ফিচার এত ফেমাস এবং কিভাবে একে আরো প্রডাক্টিভ করা সম্ভব তাই রিভিউ করা হবে এই টিউনে - ইউন্ডোজের সৃষ্টির শুরু থেকেই যে ফিচারটা আমরা পেয়ে আসছি তা হল ফোল্ডার। ডেভেলপারদের ভাষায় - Storage area for files and folders and that’s about it
ধরুন আপনার কয়কেটি গুরুত্বপূর্ণ ফাইল সম্বলিত ফোল্ডার আছে যেখানে আপনি নিয়মিত কাজ করে থাকেন। এবং এই ফোল্ডার হয়ত আপনার বিজনেস এবং কাজের স্বার্থে আরো মানুষের সাথে শেয়ার করতে হয়। তবে বর্তমানে এই রকম সিকিউরিটি এ্যাওয়ারনেস এর যুগে কেউই তার অর্জিনাল ফোল্ডার ডিরেক্টরি শেয়ার করতে চায় না এবং সময় স্বল্পতার কারনে অনেকে হয়ত সেই ফোল্ডারের দিকে ঠিকমত লক্ষ্যও রাখেননা যে আসলে কি জমা হচ্ছে এবং বর্তমানে কি অবস্থায় আছে সেই ফোল্ডারটি।
ভিউ কন্ট্রোলিং
উপরে যে সমস্ত সিচুয়েশনের কথা বললাম, তা বলার উদ্দেশ্য হল এই অবস্থায় নিজের ফাইল এবং ফোল্ডার সমূহ খুবই ফ্রিকোয়েন্টলি হ্যান্ডেল করার জন্যে উইন্ডোজ সেভেনে ভিউ নামে একটি এক্সক্লুসিভ ফিচার সংযুক্ত করা হয়েছে। এর সাহায্যে আপনি চাইলে একটি ফোল্ডার ক্রিয়েট এবং ফাইল ফোল্ডার সমূহকে মেইনটেইন ও এক্সপ্লোর করতে পারবেন ঐ ফোল্ডার লোকেশানে না গিয়ে। চাইলে আপনি সেই ফোল্ডারকে শেয়ার করতে অনেক সংরক্ষিত উপায়ে। যার সাথে শেয়ার করবেন সে বুঝতেও পারবেন না যে আপনি ঐ ফোল্ডারটি আবার সম্পূর্ণভাবে ঠিক ঐ ফোল্ডারটি শেয়ার করছেন না। অর্থাৎ এর সাহায্যে আপনি শেয়ারার এর ভিউ কন্ট্রোল করছেন। আর এই ফিচারটিই জনপ্রিয়তার তুঙ্গে তুলে দিয়েছে উইন্ডোজ সেভেনের লাইব্রেরীকে।
এই লাইব্রেরী ফিচারটি মূলত উইন্ডোজ সেভেনের উইন্ডোজ এক্সপ্লোরারে ঢোকার সাথে সাথেই বাম দিকে পাওয়া যাবে। আর এই লাইব্রেরীর আওতায় তাকছে ডকুমেন্টস, মিউজিক, ছবি এবং ভিডিও।
লাইব্রেরীর আরো কয়েকটি ফিচার
- ১. যে কোন সংখ্যক ফোল্ডার দেখার জন্যে কনফিগার করা যাবে।
- ২. এটি আপনার সার্চিংকে আরো সহজ ও দ্রুততর করবে। এর এ্যাডভ্যান্স ইন্ডেক্সিং ফাংশান বিভিন্ন লোকাশানে আপনার সার্চিং এবং সর্টিং কে আরো সহজ করে দেবে।
- ৩. ফোল্ডারারের ইনফরমেশান এবং প্রোপার্টিজ রিটেউন করা সম্ভব।
- ৪. আপনি আপনার ফাইলকে যে ফোল্ডারেই রাখুন না কেন আপনি এই লাইব্রেরীর সিস্টেম ফোল্ডারের সাহায্যে দেখতে এবং অর্গানাইজ করতে পারবেন।
- ৫. ডেভলপারদের জন্যে রয়েছে IShellLibrary API ফিচার যার সাহায্যে তারা তাদের লাইব্রেরীর এ্যাপ্লিকেশানকে ম্যানিপ্যুলেট করতে পারবেন।
কিভাবে নতুন লাইব্রেরী তৈরী করা হবে
নতুন লাইব্রেরী ক্রিয়েট করা খুবই সিম্পল তবে এটি সিস্টেম ট্রে তে রেসট্রিকটেড করা। অর্থাৎ শুধুমাত্র সিস্টেম ট্রেতে ই এ্যাপিয়ার করবে। মাই কম্পিউটারের বাম দিকে আপনি লাইব্রেরী অপশনটি দেখতে পারবেন। এখান থেকে রাইট ক্লিক করে নিউ লাইব্রেরী অপশন বেছে নিতে হবে। লাইব্রেরী এ্যাড করে এন্টার করার পর এবার পালা আপনার লাইব্রেরীর আন্ডারে ফোল্ডার এ্যাড করা যেগুলো মূলত কন্টেন্ট আকারে প্রদর্শিত হবে। এখান থেকে ইনক্লুড ফোল্ডারে ক্লিক করে আপনি যে সমস্ত ফাইল এখানে দেখতে চান শুধু সেই সমস্ত ফোল্ডারের লোকেশান ডিফাইন করে দেন।
এর আগে আমরা উইন্ডোজ সেভেনে লাইব্রেরী কিভাবে তৈরী করতে হয় দেখেছি। এবার দেখব লাইব্রেরীতে কিভাবে ফোল্ডার এ্যাড করা যায়।
লাইব্রেরীতে ফোল্ডার এ্যাড করা
এবার উইন্ডোজ সেভেন ড্রপডাউন মেনুতে একটি নুতুন কন্টেক্সট পাওয়া যাবে “ইনক্লুড ইন লাইব্রেরী”। এখান থেকে সহজেই আপনি আপনার লাইব্রেরীতে ফোল্ডার এ্যাড করে নিতে পারবেন। আছাড়া চাইলে এখান থেকে নতুন লাইবব্রেরী অথবা পুরোনো লাইব্রেরী ম্যানেজও করতে পারবেন।
এখন প্রশ্ন হতে পারে এসব সেভ হচ্ছে কোথায়। এক্ষেত্রে উইন্ডোজ সেভেন বাই ডিফল্ট প্রথম ফোল্ডারকে টার্গেট করে থাকে। আপনি চাইলে ফোল্ডারের কনফিগারেশান প্রোপার্টি চেজ্ঞ করে অন্য ফোল্ডারে সেভ করতে পারবেন।
গুরুত্বপূর্ণ ফোল্ডার শেয়ার করুন পাসওয়ার্ডের সহয়তায়
উইন্ডোজ সেভেনে পাসওয়ার্ড প্রোটেক্টেড ফোল্ডার তৈরীর মত এক্সক্লুসিভ ফিচারও বিদ্যমান এবং এই ফোল্ডার সমূহকে বলা হয় প্রাইভেট ফোল্ডার।
অন্যান্য ফোল্ডার তৈরী করার মতই আপনি প্রথমে রাইট বাটন ক্লিক করুন,সেখানে আপনি নিচের দিকে প্রাইভেট ফোল্ডার ক্রিয়েট করার অপশন পাবেন সেখান থেকে খুব সহজেই প্রাইভেট ফোল্ডার তৈরী করতে পারবেন।
ফন্ট সাইজ বাড়িয়ে নেয়া
উইন্ডোজ সেভেনের এই ফিচারটি অন্যান্য ভার্সানে অনুপুস্থিত। আমরা চাইলে উইন্ডোজ সেভেনে অন স্ক্রীন ফন্ট সাইজ বাড়িয়ে নিতে পারি। নিচের কয়েকটি সিম্পল স্টেপে এই কাজটি সম্পাদিত করা যাবে -
১. স্টার্ট বাটনে ক্লিক করার পরে font টাইপ করুন। এরপরে Make text and other screen items larger or smaller এই অপশনে ক্লিক করুন।
২. এরপর সেখানে নিচের মত একটি ডায়লগ বক্স ওপেন হবে সেখান থেকে আপনি আপনার পছন্দ মত ফন্ট সাইজ বেছে নিতে পারবেন।
৩. ফন্ট সাইজে পরিবর্তন আনতে হলে আপনাকে অবশ্যই লগ অফ করতে হবে।
৪. পুনরায় সাইন ইন করার পরেই আপনি ফন্টে চেজ্ঞ দেখতে পারবেন।
No comments:
Post a Comment